নিউজ ডেস্ক:
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৭ জুলাই মেজর সাদিককে তার নিজ বাসা থেকে আটক করে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়। প্রাথমিক তদন্তে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের প্রমাণ মেলে। অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় একটি পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে আদালত গঠন করা হয়েছে।
আইএসপিআর জানায়, “তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এছাড়া তার কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি নিয়েও একটি পৃথক তদন্ত আদালত গঠন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট তদন্ত শেষে আদালতের সুপারিশ অনুযায়ী সেনা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন সূত্রে মেজর সাদিকের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের পরপরই সেনাবাহিনী তাকে হেফাজতে নেয়।
সেনাবাহিনী সূত্র বলছে, বাহিনীর শৃঙ্খলা ও নিরপেক্ষতার প্রশ্নে সেনা সদস্যদের কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের আচরণ বাহিনীর নীতিমালার পরিপন্থী।
খবর সংগ্রহ: যমুনা টিভি

0 Comments