শর্মা দাবি করেছেন যে, বেআইনি অনুপ্রবেশের কারণে ঝাড়খণ্ডের সংস্কৃতি ও আদিবাসী চেতনা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং মুসলিম জনসংখ্যা বাড়ছে, বিশেষ করে সান্তাল পরগনা অঞ্চলে। তিনি এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে আদিবাসী জনসংখ্যার ক্ষতি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। বিজেপি ক্ষমতায় এলে ঝাড়খণ্ডে জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (NRC) প্রয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং বলা হয়েছে, এর মাধ্যমে "অনুপ্রবেশকারীদের" বহিষ্কার করা হবে।
এ নিয়ে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন বিজেপির বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বাড়ানোর অভিযোগ করেন। সোরেনের মতে, বিজেপি সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করছে এবং এর মাধ্যমে ঝাড়খণ্ডের আদিবাসী সম্প্রদায়ের ক্ষতি হচ্ছে। ঝাড়খণ্ডে আগামী নভেম্বরে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে, যেখানে এই বিষয়গুলো কেন্দ্রীয় ইস্যু হিসেবে উঠে আসছে। বর্তমানে ঝাড়খণ্ডের ২.৬০ কোটি ভোটার দুই পর্যায়ে ভোট দেবেন, এবং বিজেপি ও ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (JMM)-এর মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনা রয়েছে।
এই বিতর্ক এবং রাজনৈতিক বক্তব্যের মাধ্যমে উভয় দলই তাদের নিজেদের অবস্থান মজবুত করতে চাচ্ছে, বিশেষ করে ভোটারদের আবেগকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনে সুবিধা লাভ করতে।

0 Comments